ইকমার্স উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

0
3

।দেশের ই-কমার্স খাতের উন্নয়নে দক্ষ উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে এ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। ই-ক্যাব এর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো এতে অংশগ্রহণ করবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন লেভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট এন্ড গভার্ণন্স প্রজেক্ট (এলআইসিটি)-এর অধীনে ম্যানেজমেন্ট কনসাল্টেন্সি সার্ভিসেস, ব্যবস্থাপনা বিভাগ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্বাবধানে “ই-কমার্স উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি” কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এ  উপলক্ষে আরও বেশি উদ্যোক্তা  প্রশিক্ষণ করে  আমাদের আরও বেশি কার্ক্রম করা সম্ভম হবে । যা আমাদের অনেক বেশি  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  বিভাগের চেয়ারম্যান আমাদের মাঝে উপস্থিত হতে যাচ্ছে। যা  আমাদের প্রয়োজন করা সম্ভব হবে । এতে প্রধান   বিশেষ করে উদ্যোক্তা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় করে এ কমার্স করে বাংলাদেশ আমাদের   আরও  বেশি ।

পরিচালক এমদিসি অনুষ্ঠান   কর্মসুচি পালন পালন করা সম্ভব করা হবে । যা  আমাদের  আরও বেশি  পরচালনা করা সম্ভব । বাংলাদেশ ই কমার্স কে ছড়িয়ে দিতে  আরও বেশি করা সম্ভব হবে ।

যা  আমাদের আরও বেশিএ উপলক্ষে দুপুর তিনটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ড: এম হাবিবুল্লাহ কনফারেন্স হল-এ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান এম আলী আক্কাস এবং এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্ণেন্স (এলআইসিটি) প্রজেক্ট এর পরিচালক মো. রেজাউল করিম এনডিসি।

জনাব এম আলী আক্কাস বলেন, “বাংলাদেশে বিগত কয়েক বছরে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার ব্যাপক হারে ‍বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় ই-কমার্স এখন বাংলাদেশে জনপ্রিয়। বাংলাদেশের সর্বত্র ই-কমার্সকে ছড়িয়ে দিতে হলে যে জিনিসটি এখন সবচেয়ে দরকারি তা হচ্ছে, ই-কমার্স এর উন্নত জ্ঞান সম্পন্ন উদ্যোক্তা তৈরি করা।”

জনাব মো. রেজাউল করিম ই-ক্যাব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এ ধরনের একটি প্রোগ্রাম চালুতে সহযোগিতা করার জন্যে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রধান চারটি স্তম্ভ যার মধ্যে একটি হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার।

এ বিচারে ই-কমার্স ডিজিটাল বাংলাদেশের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।”অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলআইসিটি এর আইটি বিশেষজ্ঞ মাহফুজুল ইসলাম শামীম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম, ই-ক্যাব এর অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল হক।

জনাব শামীম বলেন, “বাংলাদেশে আইসিটি খাতের প্রধান চালিকা শক্তি হচ্ছে আমাদের তরুণ সমাজ।ই-কমার্সও তরুণ-তরুণীদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়। তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্যে এ ধরনের প্রশিক্ষণ দারুণভাবে সহায়ক হবে; কেননা একজন সফল উদ্যোক্তার মাধ্যমেই তৈরি হবে সহস্র কর্মসংস্থান।”

 

ড. মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, “ বাংলাদেশে ই-কমার্স দেরিতে চালু হয়েছে। এখন আমাদের উচিত একে দ্রুত দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়া।”ই-ক্যাব সভাপতি রাজিব আহমেদ এলআইসিটি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি চালুতে সহায়তা করার জন্যে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।তিনি বলেন, “আজ ই-ক্যাব এর জন্যে একটি ঐতিহাসিক দিন। ২০১৪ সালে এইদিনে আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম। দুই বছর পরে ই-ক্যাব প্রথমবারের মতো এমন একটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে।”

Content Protection by DMCA.com