ন্যানো স্যাটেলাইট কি এবং কীভাবে কাজ করে?

0
23

সম্প্রতি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি দেশের প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে।এটার নাম দেওয়া হয়েছে ’ব্র্যাক অন্বেষা” । নিঃসন্দেহে এই উদ্যেগটি আমাদের দেশের জন্য অনেক বড় একটি ব্যপার। কিন্তু অনেকেই জানেন না  এই ন্যানো স্যাটেলাইটটি আসলে  কী এবং এটি দিয়ে কী কাজ করা হবে এবং এটি কীভাবে কাজ করবে।

তাই এখানে সকলকে দেখানোর চেষ্টা করেছি ন্যানো স্যাটেলাইট কী এবং ব্র্যাক অন্বেষা স্যাটেলাইটটি মূলত কীভাবে কী কাজ করবে।

মূলত ন্যানো স্যাটেলাইট সম্পর্কে আপনাদেরকে একটি ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করি একটু হলেও আপনারা বুঝতে পেরেছেন ন্যানোস্যাটেলাইট সম্পকে ।

ন্যানো স্যাটেলাইট কি?
সাধারণত স্যাটেলাইট বলতে আমরা বুঝি কমিউনিকেশন স্যাটেলাইটকেই,যা সাধারণত ইন্টারনেট, টেলিফোন কিংবা টিভি ব্রডকাস্টিং এর কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।যা আকারে অনেক বড় হয়ে থাকে।

কিন্তু ন্যানো স্যাটেলাইট হলো খুবই ছোট আকারের স্যাটেলাইট এবং ভু-পৃষ্ঠ থেকে এর দুরুত্বও অনেক কম থাকে। যেখানে একটি কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪২০০০ কি.মি দূরে থাকে সেখানে একটি ন্যানো স্যাটেলাইট মাত্র ১৬০ থেকে ৪০০ কিমি দূরে থাকে। এই ধরনের স্যাটেলাইটের ওজন ১ থেকে ১০ কেজি ওজনের হয়ে থাকে।যেখানে বড় মাপের একটি  কমিউনিকেশন স্যাটেলাইটগুলোর ওজন হয়ে থাকে প্রায় ১০০০ কেজি।

এই স্যাটেলাইট সাধারণত দিনে কিছু সময়ের জন্য নির্ধারিত স্থান প্রদক্ষিণ করে মাত্র। এই স্যাটেলাইটের আয়ুষ্কালও অনেক কম হয়ে থাকে।

বিভিন্ন স্যাটেলাইটের অবস্থান ভিত্তিতে এই ন্যানো স্যাটেলাইটকে বলা হয় লো-আর্থ-অরবিট স্যাটেলাইট।

ব্র্যাক অন্বেষা স্যাটেলাইটটি মূলত ছোট আকৃতির একটি স্যাটেলাইট । এর আকার হচ্ছে ১০ বাই ১০ বাই ১০ সেন্টিমিটার। অর্থাত ইঞ্চিতে প্রায় ৪ ইঞ্চি।

তূলনামূলকভাবে এই স্যাটেলাইটটি অবস্থান ভূ-পৃষ্ঠ থেকে খুব বেশি উপরে নয়। এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উপরে অবস্থান করছে।

ব্র্যাক অন্বেষা স্যাটেলাইট দিনে ৪থেকে ৬বার ৯০ মিনিটের জন্য বাংলাদেশের উপর দিয়ে পরিভ্রমণ করবে।

মূলত গবেষণার কাজে ব্যবহার করা হবে এটি। বিশেষ করে গাছপালা, নগরায়ণ, পানিসম্পদ, বনজ ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণার জন্য হাইরেজুলেশনে ছবি তোলার কাজে এই স্যাটেলাইটটি ব্যবহার করা যাবে।

Content Protection by DMCA.com

LEAVE A REPLY