সিলেটে ‘আয়নাবাজি’ সিনেমার মত বাস্তবেও সত্য ঘটনা (ভিডিও)

1
390

অপরাধী না হয়েও সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে সাজা খাটছেন হতভাগা এক যুবক। রিপন আহমদ ভুট্টো নামে যুবককে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ইকবাল হোসেন বকুল দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগীর দাবি, পুলিশ রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়। আর সেখানেই গিয়েই জানতে পারেন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি তিনি। আর মূল আসামির স্বজনদের দাবি, বকুল কারাগারে নয় থাকছেন সৌদি আরবে।

ভিডিওটি দেখুন:

রিপন আহমেদ ভুট্টো নামের মানুষটি সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে ১৪ মাস ধরে কারাগারে। কিন্তু জানেন না তার অপরাধ কি। আবার কারাগারে বন্দি আছেন আরেক নামে। অথচ যার নামে কারাভোগ করছেন সে ঘুরে বেড়াচ্ছে বিদেশে। অসহায় এই মানুষটির সঙ্গে ঘটা এমন করুন কাহিনী বেরিয়ে এসেছে সময় সংবাদের অনুসন্ধানে।

খোঁজ নিয়ে যানা যায় ২০০৯ সালের একটি হত্যা মামলায় পলাতক আসামী হিসেবে যাবজ্জীবন সাজা হয় দরাছ মিয়া, তার স্ত্রী রোজিনা বেগম এবং ইকবাল হোসেন বকুল নামের তিন ব্যক্তির। ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর গ্রেফতার দেখিয়ে ইকবাল হোসেন বকুল নামে একজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। রিপন আহমেদ ভুট্রোর দাবি, পরিচয়পত্র দেখানোর পরও বকুল সাজিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ।

ঘটনা অনুসন্ধানে মূল আসামী বকুলের বাড়িতে গিয়ে কথা হয় তার বাবার সাথে। তিনি বলেন, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব থাকে। মামলার বাদীরও দাবি, কারাগারে থাকা ব্যক্তি বকুল নয়।

এ বিষয়ে পুলিশ ও পিপি কোন কথা বলতে রাজি হননি। অবশ্য জেল সুপার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জানান, বিষয়টি সরকারের উচ্চ মহলে জানাবেন।

সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে গ্রেফতারের পর সংশ্লিষ্ট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এতো কিছুর পরও ভুট্টো কিভাবে আসামী হিসেবে সাজাভোগ করছেন সেটা খতিয়ে দেখে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

Content Protection by DMCA.com

1 COMMENT

  1. এই রকম ঘটনা বহুত আছে, সব গুলির তদন্ত হয়না, আসামি(নকল) জেলেই বন্দি আছে…
    যাই হোক এইটা ভালো একটা টেকনিক, ভালো লাগলো টেকনিকটা

Comments are closed.